ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ ৬ ও ৭জানুয়ারি দুই দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো বিজনেস বাজ সিজন ত্রির পুরুস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের উদ্যোগ ও আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিজনেস প্লান প্রেজেন্টেশন এবং কুইজ কম্পিটিশনসহ মোট তিনটি বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

পুরো অনুষ্ঠানের ভিডিওচিত্র ভার্সিটির অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগ পেজ থেকে সম্প্রচার করা হয়। ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয় ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।

পোস্টার প্রেজেন্টেশন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেরাব তানজুম ঐশী এবং মো. রেদওয়ান রহমান। রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন পার্থ প্রতীম আচার্য এবং আফরোজ জাহান জ্যোতি। বিজনেস প্ল্যান প্রেজেন্টেশন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মেহেদি হাসান শাওন। মেহেদি হাসান শাওন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী। একই বিভাগের রানার আপ টিমের সদস্যরা হলেন, মো. হাসিব নাহিয়ান এবং মো. জাবিদ ইকবাল। কুইজ কম্পিটিশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী নিকোলাস চাকমা এবং মো.তোফাজ্জেল হোসেন। এ প্রতিযোগিতায় রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন মো. হাসিব নাহিয়ান এবং মো. জাবিদ ইকবাল।

প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন টিমের প্রত্যেক সদস্যকে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর পক্ষে সার্টিফিকেট ও ১০০০টাকা প্রাইজ মানি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া রানার আপ টিমের প্রত্যেক সদস্যকে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর পক্ষে সার্টিফিকেট ও ৫০০টাকা প্রাইজ মানি প্রদান করা হয়েছে। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অ্যাসিয়োয়িট ডিন ড. ফারজানা আলমের তত্ত্বাবধায়নে  এ বিভাগের শিক্ষকদের সহায়তায় বিজয়ীদের  নির্বাচন করা হয়।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর উপাচার্য ড. মকবুল আহমেদ খান, রেজিস্ট্রার আ.ফম গোলাম হোসেন, প্রোক্টর ড. কাজী বজলুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অ্যাসোসিয়েট ডিন ড. ফারজানা আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ী শিক্ষার্থীরা।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, প্রতিযোগিতা মানে একটা যুদ্ধ এবং যারা জয়ী হয়েছে তাদেরকে আমরা পুরস্কৃত করবো যারা জয়ী হতে পারেনি তাদেরকে উৎসাহিত করবো।

তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, জীবনটাকে যদি আমরা যুদ্ধ হিসেবে নেই তাহলে জয়ী হওয়ার আনন্দে ভাগীদার হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। আমরা কাছে মনে হয় করোনা আমাদের একটা যুদ্ধের মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এ যুদ্ধটা সামনে আসাতে আমরা এখন অনেক তৎপর।

 

ড. ফারজানা আলম বলেন, যদিও আমরা অনুষ্ঠানটি সীমিত পরিসরে করছি তারপরেও বলবো আমরা অনেক সৌভাগ্যবান। যারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন, রানার আপ হয়েছেন এমনকি যারা অংশগ্রহণ করেননি তাদের প্রত্যেককে শুভেচ্ছা। এ অনুষ্ঠান আমি মনে করি একটি অর্জন।

ড. কাজী বজলুর রহমান শিক্ষার্থীদেরকে স্বদেশ প্রেমে উজ্জ্বীবিত হয়ে সামনের দিনগুলোতে নিজ নিজ কাজ করার আহ্বান জানান।

আ.ফ.ম গোলাম হোসেন বলেন, বিজনেস বাজ নিয়মিত পড়াশোনার গণ্ডির বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে তাদের মেধা বিকাশের যে প্রোসেসটা সেটা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবি রাখে।

এজন্য তিনি বিজনেস বাজ’ অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোক্তা ড. ফারজানা আলমকে ধন্যবাদ দেন।

দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিন উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মো. এজাজুর রহমান সিনিয়র লেকচারার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ। দ্বিতীয় দিন উপস্থাপনা করেছেন মুশফিকা বিনতে কামাল, সিনিয়র লেকচারার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ।

অনুষ্ঠানের ভিডিও: https://fb.watch/2UZLr4OW7X/