৩রা ফাল্গুন ১৪২৭ বাংলা (১৬ফেব্রুয়ারি ২০২১ইং) মঙ্গলবার উৎসাহ-উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ মঙ্গলবার হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপন করা হয়েছে। বিদ্যাদেবীর কৃপালাভের আশায় এই পূজা উদযাপন করেছে হিন্দুসম্প্রদায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা। বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি, আলোচনা সভা, প্রসাদ বিতরণ।

 

বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা কমিটির উদ্যোগে ‘বাণী অর্চনা-২০২১’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মকবুল আহমেদ খান, বিশেষ অতিথি রেজিস্ট্রার আ.ফ.ম গোলাম হোসেন, প্রক্টর ড. কাজী বজলুর রহমান এবং সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান বিজনেস অ্যাডমিনিস্টেশন ড. ফারজানা আলম।

ড. ফারজানা আলম বলেন, ‘সরস্বতী দেবীর উপস্থিতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে নাহলে আমরা এই মহামরীর সময়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিক্ষাদান কার্যক্রম সময়মতো পরিচালনা করতে পারতাম না’।

ড. কাজী বজলুর রহমান বলেন,  আজকে আপনারা যে প্রার্থনা  করেছেন সে প্রার্থনা মঞ্জুর হোক-এ প্রার্থনা করি। প্রজন্মের প্রতি আহ্বান থাকবে-চলো দেশটা ভালোবাসি, একসাথে দেশের বিরুদ্ধে যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দেব।

সকল ধর্মের একটি শিক্ষা আছে সেহলো মানব ধর্ম। সংবিধানে আছে বাংলাদেশ হবে ধর্ম নিরেপেক্ষ দেশ। আজকের এ অনুষ্ঠান তার একটা নিদর্শন বলে উল্লেখ করেন ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর রেজিস্ট্রার আ.ফ.ম গোলাম হোসেন।

প্রধান  অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মকবুল আহমেদ খান বলেন, ‘ধর্ম পালনে বিধি নিষেধ পছন্দ করি না। জ্ঞান চর্চাকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এ পূজা।’

ভবিষৎ-এ সরস্বতী পূজাকে আরও অর্থবহ করার জন্য বিভিন্নরকম অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম যুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের পক্ষে সমাপনী বক্তব্য দেন শান্তনু সাহা।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন `ত্রিপল ই’ বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরুল কায়েস।

উল্লেখ্য, পূজা কমিটির সভাপতি সিনিয়র প্রভাষক অজয় কুমার, সহ-সভাপতি অনিতা বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সুপ্তা ঘোষ।

সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।